নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর কী হয়েছিলো ?

নেতাজী মৃত্যুর মূখ্য সাক্ষী হাবিবুর রহমান ১৯৪৬ সালে কলকাতায় আসে শরৎচন্দ্র বোসের সাথে দেখা করতে

ভারত সরকার এর বয়ান অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে ১৮ই আগস্ট প্লেন দূঘটনায় মারা যায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

কিন্তু গবেষক দের মতে ভারত সরকার ৭০ বছর ধরে নেতাজীর মৃত্যুর ফাইল গোপন রেখেছে এবং ২০১৬ সালের জানুয়ারীতে Declassifile এ কী রয়েছে ? এবং তার Date Certificate ৪৩ বছর পরে দেওয়া হল কেন ?

কেও বলেছেন ১৯৪৫ সালে ১৭ ই আগস্ট রাতে সাইগানে শরৎচন্দ্রের বাড়িতে নেতাজি ছিলেন ।

কেও বলেছেন ১৯৪৫ সালে ১৮ ই আগস্ট নেতাজী সাইগানে ছিলেন ।

নেতাজী মৃত্যুর মূখ্য সাক্ষী হাবিবুর রহমান ১৯৪৬ সালে কলকাতায় আসে শরৎচন্দ্র বোসের সাথে দেখা করতে
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু by wbnewsinfo (WBNI)

১৭ ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে INA এর নেতা নেতাজী দুপুরে প্লেনে ওঠে সাইগান থেকে সঙ্গে ADC কর্নেল হাবিবুর রহমান এবং লেফটেন্যান্ট
কর্নেল সুনামা মাৎসিনি । তাদের ফ্লাইট প্লান অনুযায়ী তারা জাপানের তাইহোকো তে যাবেন তার পর ডাইরেন তার পর টোকিও । কিন্ত তাদের পরিকল্পনা ছাড়াই ভিয়েতনাম এর টোরেন এ নামেন রাএি যাপনের জন্য । পর দিন ভোর বেলায় টোরেন থেকে তাইহোকোর দিকে কিন্ত ডাইরেন যাওয়ার পথে আকাশের ২০০০ হাজার ফুট উপরে প্লেনে আগুন লাগে ও প্লেনটি মাটিতে পড়ে যায় । তার পর বোস কে তাইহোকোর হসপিটালে ভর্তি করা করা হয় , বোস খুবই পুড়ে যায় ও সন্ধে বেলা মারা যায় (এটা জাপান সরকার এর তথ্য অনুযায়ী)

১৯৬৬ সালে ভারত ও পাকিস্তান এর এর শান্তি আলোচনার সময় ভারতের প্রধান মন্ত্রি লালবাহাদুর সাস্ত্রির সাথে তাসকেন্দে নামক এক ব্যাক্তি ছিলেন সঙ্গে পাক প্রধান মন্ত্রি আয়ুব খান এর পেছনে তাসকেন্দ কে দেখা যায় । তাসকান্দ আর বোস একি রকম দেখতে তাই বিশেষজ্ঞরা বলেছেন তাসকান্দই বোন এবং তারা তাকে নাম দেন ‘The Taskand Man’
কিন্তু বোসের মৃত্যুর এত বছর পর কি ভাবে সম্ভভ ।

নেতাজী মৃত্যুর মূখ্য সাক্ষী হাবিবুর রহমান ১৯৪৬ সালে কলকাতায় আসে শরৎচন্দ্র বোসের সাথে দেখা করতে । তিনি তার আই.এন.এ. র ইউনিফর্ম পরে এসেছিলেন । হাবিবুর একটি ঘড়ি দেখিয়ে বলেন নেতাজী এটা পরে ছিলেন । ঘড়ি টিতে পোড়ার দাগ ছিলো । সেই ঘড়িটি লন্ডনের একটি ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা যায় সেটি অ্যাসিড দিয়ে পোড়ানো সাথে শরৎচন্দ্র বলেন নেতাজী কখনো চৌকো ডায়েল এর ঘড়ি পরতেন না ।

নেতাজী মৃত্যুর মূখ্য সাক্ষী হাবিবুর রহমান ১৯৪৬ সালে কলকাতায় আসে শরৎচন্দ্র বোসের সাথে দেখা করতে
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু by wbnewsinfo (WBNI)

তা হলে কি ভাবে সম্ভব ?

১৯৯৯ সালে ভারত সরকার মূখাজী তদন্ত কমিশন গঠন করে । জাস্টিস অবনি মূখাজী ভারতের সুপ্রিম কোটের বিচার পতির কাছে দেওয়া হয় এই ফাইলটি । ৭ বছর তদন্তের পর দেখা যায় ১৮ ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে তাইপেয়ের বিমান দূঘটনায় নেতাজী মারা যায়নি

তা হলে কী হয়ে ছিল ?

অনেকে বলেছেন এটা চালাকি ছিল । জাপান সরকার এর ধাপ্পা ছিল । ১৯৪০ সালে নেতাজী সুভাষ কে গৃহ বন্দি করা হয় রাজ দ্রহিতার জন্য ।
নেতাজী মহানিস্ক্রমন পরিকল্পনা করে ১৭ ই জানুয়ারি ১৯৪১ সালে মাঝরাতে পালিয়ে যায় ।
১৮ ই জানুয়ারি কালকা মেল ধরে বোস পেশোয়াতে যান তার পর কাবুর ।

তার পর কী হয়েছিল নেতাজির ?
আজও জানা সম্ভব হয়নি ।

তার রহস্য কি আজও ভারতে আছে ?
না বিদেশে তার মৃত্যুর ফাইল আছে ?
আজও কী সম্ভব তার রহস্য বের করা ?

WBNI-এর দায়িত্ব পশ্চিমবাংলার A TO Z খবর আপনাদের কাছে পৌঁছে দাওয়া । ১টি কথা মনে রাখবেন WBNI যে খবর তুলে ধরে সেই সব খবর, হয় সব থেকে আধুনিক না হয় থেকে সব থেকে আগে । বেশি জানতে ওয়েবসাইটি আরও ভালো করে চেক করুন এবং আরও নতুন নতুন খবর জানতে এখুনি ইমেইল সাবমিট করুন WB NEWS INFO (WBNI)-এর ওয়েবসাইটে । আর এই খবরটি জেনে আপনাদের কি মতামত সেটাও জানাবেন আমাদের কমেন্ট বক্সে কারন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কি জানাতে চায়, কি বলতে চায় সেটা জানাও WBNI-এর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *