সাজিরহাট আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজের দুই প্রেমির গল্প

জয়িতার সাজার জিনিস ও গয়না by Wb News Info (WBNI)

অনিকেত এমন একটা ছেলে যে মা, বাবা ছাড়া আর কাউকে পরয়া করে না । তার বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে সে । ওর জিবনের লক্ষ্য হল একজন সিঙ্গার হওয়া ।

অনিকেত খুব ভাল গিটার বাজায় । অনিকেত কিন্তু তাঁর বাবা চায়না সে সিঙ্গার হোক । অনিকেতের বাবা চায় অনিকেত যেন তাঁর ব্যবসায় যোগ দিক কিন্তু অনিকেতের ব্যবসায় কোন মন নেই । আবার ওর মা চায় আমার ছেলে একজন বড় সিঙ্গার হোক । কারন ছেলের খুসিতেই মায়ের খুশি তাই অনিকেত যা ভালো কাজ করে তাতেই ওর মায়ের সঙ্গ পায় । ওর কাছে ওর মা খুব ভালো বন্ধু । তাছাড়া ওর একটা ভালো বন্ধু আছে তাঁর নাম রাকেশ , আর অনিকেত দুজনে খুব ভালো বন্ধু । অনিকেত এর সাথে রাকেশ এর একটা ব্যাপার ছাড়া সবদিকে মিল আছে । আর সেই ব্যাপার টা হল ভালোবাসা

সাজিরহাট আচার্য প্রাফুল্ল চন্দ্র কলেজের দুই প্রেমির গল্প by Wb News Info (WBNI)
সাজিরহাট আচার্য প্রাফুল্ল চন্দ্র কলেজ

অনিকেত ভালবাসার ওপর বিশ্বাস করে না কিন্তু রাকেশ একটা মেয়েকে ভালবাসে কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না । এবং এর আগেও রাকেশ এর জিবনে অনেক মেয়ে এসেছিল । রাকেশ এর কাছে ভালোবাসা শব্দটি কেমন যেন ছেলে খেলা । রাকেশের সব কথা অনিকেতকে বলে কিন্তু অনিকেত রাকেশকে সব কথা বলতে পারে না । অনিকেত রাকেশকে বিশ্বাস করে না এমন কিন্তু নয় তবুও বলতে যেন কোথায় দ্বিধা হয় । একদিন অনিকেতের কলকাতায় একটা বড় ফাংসান ছিল । আর অনিকেত সেই ফাংসানে গিয়ে অনিকেতের একটা মেয়েকে ভাললেগে গেল । এবং বাড়ি এসে অনিকেত ওর মাকে সব বলল এবং ওর মা সব শুনল কিন্তু অনিকেতের বাবাকে কিছু বলল না । পরে অনিকেতের মা ওকে জিজ্ঞাসা করল মেয়েটার নাম কি বল । অনিকেত বলল জানি না মা । ওর ঠিকানা ? অনিকেত বলল জানি না , ওর মা বলল আরে কিছু তো জানিস । অনিকেত বলল না , তবে সবটাই জানবো । আরেকদিন অনিকেতের ফাংসানের জন্য অনিকেত কলকাতায় যায় ।

কলকাতা হল অনিকেতের মামা বাড়ি কিন্তু অনিকেত মামা বাড়ি যাওয়া একদমই পছন্দ করে না । তাই সে হোটেলে উঠলো এবং পরের দিন সন্ধ্যায় অনিকেতের ফাংসান আছে । রাকেশ অনিকেতের সব ফাংসানে যায় । তাই এবার ও রাকেশ গেলো অনিকেতের ফাংসান দেখতে । অনিকেত সেই ফাংসানের দিন সেই মেয়েটিকে আবার ও দেখতে পায় । দেখতে পেয়েই অনিকেত দেরি না করে মেয়েটির কাছে গিয়ে মেয়েটির নাম জিজ্ঞাসা করল ।

মেয়েটি বলল আমার নাম – জয়িতা ।

জয়িতা – কেন হঠাৎ আমার নাম জিজ্ঞাসা করলে ? কিছু দরকার আমার সাথে ?
অনিকেত – না এমনি শুধু বন্ধুত্ব করতাম ।
জয়িতা – ও ।
অনিকেত – তোমার নামটা খুবই মিষ্টি
জয়িতা – তোমার , আমার নামটা জিজ্ঞাসা করাটা ঠিক কেমন যেন লাগল !
অনিকেত – কেমন ?
জয়িতা – জানি না , তুমি কি আমায় ভালোবাসো ?
অনিকেত – না , আমি তোমায় ভালবাসি না কিন্তু আমি তোমার সাথে বন্ধুত্ব করতে চাইতুমি কি আমার বন্ধু হতে চাও হাঁ কি না বল ?
জয়িতা – হাঁ হতে চাই ।
অনিকেত – ধন্যবাদ ।
জয়িতা – কেন ?
অনিকেত – এমনি ।

অনিকেত কিন্তু পারতো জয়িতাকে সব বলতে । কিন্তু কি জানি ও সেদিন কেন ওর মনের সব কথা জয়িতাকে বলতে পারলো না । এখন অনিকেত আর জয়িতা খুব ভালো বন্ধু , আর রাকেশ আর মেঘনা – রাকেশ এর gf মেঘনা রাকেশের খুব ভালো বন্ধু এবং ওদের কয়েক দিনের মধ্যে বিয়ে । একদিন হঠাৎ জয়িতা অনিকেত কে বলল জানো আমার বিয়ে হয়ে গেছে ।

সাজিরহাট আচার্য প্রাফুল্ল চন্দ্র কলেজের দুই প্রেমির গল্প by Wb News Info (WBNI)
সাজিরহাট আচার্য প্রাফুল্ল চন্দ্র কলেজ

অনিকেত এই কথাটা শুনে অবাক হয়ে জয়িতার দিকে তাকিয়ে রইল ।

জয়িতা – একটু হাসি দিয়ে বলল আরে পাগল আমি মজা করছিলাম ।
অনিকেত – খুব মজা তাই না !! এত বাজে মজা করতে ভালো লাগে তোমার তাই না ??
জয়িতা – আরে আমি তো এমনি বললাম ।
অনিকেত – কেন ?
জয়িতা – দেখলাম শুনে তোমার কেমন লাগে ?
অনিকেত – একদম বাজে ।
জয়িতা – কেন, তুমি কি আমায় ভালোবাসো ?
অনিকেত – না ।
জয়িতা – তাহলে আমার জন্য একটা ভালবাসার মত মানুষ খুজে দাও না পিলিজ ।
অনিকেত – ওকে, খুঁজে দেখছি ।
জয়িতা – ঠিকাছে দেখো ।

জয়িতা অনিকেতকে ভালোবাসে কিন্তু জয়িতাও অনিকেতকে কিচ্ছু বলতে পারে না , অনিকেত ও জয়িতাকে কিচ্ছু বলে না । ওদিকে অনিকেতের মা জয়িতাকে দেখতে চায় ।

কিছু দিন পর অনিকেত জয়িতার সাথে দেখা করল ।

জয়িতা – খুঁজে পেলে আমার জন্য ভালবাসার মানুষ ?
অনিকেত – না , আমার মা তোমায় দেখতে চায় ।
জয়িতা – কেন ?
অনিকেত – তুমি আমার বান্ধবি তাই ।
জয়িতা – আর কিছু না ?
অনিকেত – আবার কি ?
জয়িতা – কিছু না ।
অনিকেত – তো কবে যাবে বল ?
জয়িতা – তুমি যেদিন নিয়ে যাবে , এখন বললে এখনি যাব ।
অনিকেত – তো চল এখন ।
জয়িতা – ওকে, চল ।

জয়িতার সাজার জিনিস ও গয়না by Wb News Info (WBNI)
জয়িতার গহনা

অনিকেত জয়িতাকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে ওর মা, বাবা ওর বন্ধু রাকেশ এবং মেঘনার সাথে আলাপ করিয়ে দিল । তারপর অনিকেতের মা অনিকেতকে দোকানে পাঠাল মিষ্টি আনতে । অনিকেত দোকানে যাওয়ার পর রাকেশ, মেঘনা আর অনিকেতের মা জয়িতাকে সব খুলে বলল অনিকেত কি চায় কিন্তু বলে না । এই শুনে জয়িতা একটা প্লান করল । জয়িতার বিয়ে এটা সব জায়গায় রটিয়ে দিল এবং সাঁজার জিনিসগয়না বানিয়ে অনিকেতের মাকে দেখাতে আসলো অনিকেত দের বাড়ি । অনিকেত শুনে বলল তুমিতো আগে বলনি আমাকে যে তোমার বিয়ে !

হঠাৎ এসব কি ?

জয়িতা – তুমি শুনে কি করতে ?
অনিকেত – জানি না , যা খুশি কর তুমি ।
জয়িতা – তুমি তো আমায় ভালোবাসো না !
অনিকেত – সেটা তুমি ভালই জানো ।
জয়িতা – হাঁ জানি তো , তুমি আমায় না অন্য একটা মেয়েকে ভালোবাসো
অনিকেত – বাজে কথা কম বল , কে বলেছে তোমায় এসব বাজে কথা ?
জয়িতা – ছাড়ো এসব কথা , তুমি কি কাউকে ভালোবাসো ?
অনিকেত – হাঁ ।
জয়িতা – কাকে ?
অনিকেত – জানি না ।
জয়িতা – তুমি কি আমাকে ভালোবাসো ?
অনিকেত – হাঁ , আমি তোমায় ভালবাসি । সত্যি জয়িতা আমি তোমায় ভালবাসি । আর একটু বেশিই ভালবাসি
জয়িতা – এতদিন এটা বলতে পারনি ?
অনিকেত – কিভাবে বলবো ঠিক বুঝতে পারি নি ।
জয়িতা – পাগল একটা ।

তারপর আপনারা সবাই বুঝতেই পারছেন কি হতে পারে । যেটাই হোক না কেন অনিকেতের ব্যাপার টা যখন জয়িতা পুরটা জানলো তখন খুবই হেঁসে ছিল জয়িতা । এটা সাজিরহাট আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজের অল্প কথায় দুই প্রামির ছোট্ট একটি গল্প । শুধু ডিমান্ডের জন্য পোকাশিত গল্পটি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল । WBNI-এর দায়িত্ব পশ্চিমবাংলার A TO Z খবর আপনাদের কাছে পৌঁছে দাওয়া । ১টি কথা মনে রাখবেন WBNI যে খবর তুলে ধরে সেই সব খবর, হয় সব থেকে আধুনিক না হয় থেকে সব থেকে আগে । যদিও এটি একটি গল্প ডিমান্ডের জন্য । বেশি জানতে ওয়েবসাইটি আরও ভালো করে চেক করুন এবং আরও নতুন নতুন খবর জানতে এখুনি ইমেইল সাবমিট করুন WB NEWS INFO (WBNI)-এর ওয়েবসাইটে । আর এই গল্পটি পরে আপনাদের কেমন লাগল সেটাও জানাবেন আমাদের কমেন্ট বক্সে কারন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কি জানাতে চায়, কি বলতে চায় সেটা জানাও WBNI-এর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *